মাদারীপুরে খাবারে সাথে বিষ মিশিয়ে বানর হত্যার আসামি কারাগারে

0
282
মাদারীপুরে খাবারে সাথে বিষ মিশিয়ে বানর হত্যার আসামি কারাগারে
মাদারীপুরে খাবারে সাথে বিষ মিশিয়ে বানর হত্যার আসামি কারাগারে

বিশ্ববার্তা ডেস্ক: মাদারীপুরে খাবারে সাথে বিষ মিশিয়ে বানর হত্যার অভিযোগে শাহানাজ বেগম (৫৫) নামে এক নারীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার বিকেলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইদুর রহমান তাকে কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরো পড়ুন: শ্রীমঙ্গলে গলাটিপে বানর হত্যার দায়ে মামলা- বন বিভাগ

শাহানাজ মাদারীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মধ্যখাগদী এলাকার লতু হাওলাদারের স্ত্রী। বাসাবাড়িতে খাবারের জন্য বানর উৎপাত করে এজন্য খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বানরগুলো হত্যা করা হয়।

এর আগে রোববার সকালে শহরের মধ্য খাগদী এলাকা থেকে শাহানাজ ও তার দেবর আকু হাওলাদারকে আটক করে পুলিশ। তবে পুলিশ শাজানাজকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালেও তার দেবরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ ও বন বিভাগের সূত্র জানায়, গত ৫ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য খাগদী এলাকায় নিষ্ঠুর মানবের দেওয়া বিষ মেশানো খাবার খেয়ে ১৫টি বানরের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

এই বানরগুলোকে মধ্য খাদগী এলাকার একটি খাল পাড়ে মাটি চাপা দেওয়া হয়। পরে মৃত ৫টি বানরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য তা ঢাকায় পাঠায় জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে।

গত বৃহস্পতিবার বন বিভাগ সদর মডেল থানায় ফৌজদারি এবং চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বন্যপ্রানী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।

এরপর থেকেই পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে বানর হত্যায় জড়িতদের ধরতে তদন্ত শুরু করে। ঘটনার ৫দিন পরে মধ্যখাগদী থেকে শাহানাজ ও তার দেবর আকুকে জিজ্ঞাসাবের জন্য আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে শাহানাজ তার অপরাধ স্বীকার করে। পরে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায় ও শাহানাজের দেবর আকুকে ছেড়ে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বদরুল আলম মোল্লা বলেন, আমরা দুজনকে আটক করলেও একজন প্রকৃত অপরাধী। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বানরকে ওই দিন খাবার খাওয়ানোর কথা স্বীকার করেছেন। তিনি এর আগেও খাবারে বিষ দিয়ে আরো ৭-৮টি বানর মেরে ফেলে বলেও জানা গেছে। তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।

আপনার মতামত দিন