বিশ্ববার্তা ডেস্ক: অপরাধীর নামের সাথে নিজের নাম ও বাবার নাম মিল থাকায় সবুজ বিশ্বাস (২৬) নামের এক যুবকে কারাভোগ করতে হয়। বিনা অপরাধে ৩ মাস কারাগারে আটক ছিলেন।
বুধবার (২২মে) দুপুরে সবুজ বিশ্বাসের জামিন আদেশ দিয়েছেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আয়শা নাসরিন।
বিনা অপরাধে সবুজ বিশ্বাসকে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরবর্তীতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সবুজের আইনজীবী মোস্তফা হুমায়ুন কবির জানান, মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন, পুলিশ ভুল করে সবুজকে আসামী মনে করে গ্রেফতার করেন। এই মামলার মূল আসামি জনি, সবুজ নন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তারা আদালতে প্রতিবেদন পেশ করলে বিজ্ঞ আদালত সবুজকে জামিন দিন।
সবুজের বাবা খাইরুল বিশ্বাস বলেন, আমার নিরাপরাধ ছেলে বিনা অপরাধে তিনমাস জেল খেটেছে। আজ আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। আমরা তাতেই খুশি।
জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর খুন হয় যশোর সদরের চাঁচড়া ইউনিয়নের বেড়বাড়ি গ্রামের মিঠু শেখ। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইসরাইল শেখ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী থানায় মামলা করেন। এ মামলার চার্জশিটভুক্ত ৫ নম্বর আসামি পার্শ্ববর্তী আরবপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গা গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে জনি।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কোতয়ালী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা জনিকে না ধরে প্রতিবেশি ট্রাকচালক সবুজ বিশ্বাসকে প্রেফতার করে আদালতে পাঠান।
সেই থেকে বিনা অপরাধে কারাবাসে ছিলেন সবুজ। এই সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের নজরে পরে।
এরপর সবুজ বিশ্বাসের বিরোদ্ধে গঠিত অভিযোগ মিত্যা প্রমানিত হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জামিন দেন।












