শুক্রবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড়ের ফণীর প্রভাবে কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পৃথক পৃথক তিনটি স্থানে বজ্রপাতে এ ৪ জনের মৃত্যু হয়, কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও পাকুন্দিয়া উপজেলায়।
নিহতরা হলেন মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৭), বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে মহিউদ্দিন (২২), পাকুন্দিয়া উপজেলার কোষাকান্দা গ্রামের আয়েছ আলীর ছেলে আসাদ মিয়া (৪৫), চর আলগি গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৫), আলতাব উদ্দিনের মেয়ে নুরুন্নাহার (৩২) ও ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে রুবেল দাস (২৬)।
মিঠামইন উপজেলার কুড়ারকান্দি গ্রামের সুমন মিয়া হাওর থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে মারা যান।একই সঙ্গে তার সঙ্গে থাকা গরুটিও মারা যায়।
একই উপজেলার বিরামচর গ্রামের মহিউদ্দিন বাড়ি সংলগ্ন হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মারা যান।
ইটনা উপজেলার কাঠুইর গ্রামের রুবেল দাস হাওরে ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন।
তাকে ইটনা হাসপাতালে আনার হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলার কোষাকান্দা গ্রামের আসাদ মিয়া বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।












