এ্যাম্বুলেন্স দেখেই গ্রামবাসি আতঙ্কিত

0
140
এ্যাম্বুলেন্স দেখেই গ্রামবাসি আতঙ্কিত
এ্যাম্বুলেন্স দেখেই গ্রামবাসি আতঙ্কিত

রানীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের উত্তরগাঁও গ্রামের তৈমুর হোসেনের ছেলে বাবুল হোসেন(৩৫)। কুমিল্লা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে গ্রামে আসায়, গ্রামের মানুষের ধারনা বাবুল হোসেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছেন ।

অভাবের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লায় কাজ করছেন। একসময় অসুস্থ।প্যারালাইসিস হয়ে পড়ে থাকার কারণে দীর্ঘদিন কুমিল্লায় আটকে ছিলেন তিনি।

দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের মহামারীতে যখন যান চলাচল বন্ধ, এমনকি দোকানপাটও বন্ধ। তখন এ করোনা আতঙ্কে সারা বিশ্বের ন্যায় রানীশংকৈলে সাধারন মানুষ আতঙ্কিত।

বৃস্পতিবার ২ মার্চ সকালে কুমিল্লা থেকে বাবুল হোসেন রানীশংকৈলের হোসেনগাঁও গ্রামের বাড়িতে এ্যাম্বুলেন্স এ আসতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। লোকজন তাকে চারপাশ ঘিরে রাখে।শুরু হয়ে যায় মানুুুষের কানাকানি।

এর মধ্যেই শুরু হয়ে যায় নানান জায়গায় ফোন। গ্রামের মানুষের ধারনা বাবুল হোসেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছেন। এ পর্যায়ে খবর পেয়ে  রানীশংকৈল থানা পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে প্যারালাইসিসে অসুস্থ্য থেকে বাবুল পয়ত্রিশ হাজার টাকা ভাড়ায় এই ভয়ানক মূহুর্তে রানীশংকৈলের হোসেনগাওয়ের গ্রামে ফিরেছেন। রানীশংকৈল থানার সাব ইনিস্টেক্টর আহসান হাবিব জানান, বাবুল হোসেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন। তিনি শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য। 

তিনি আরো জানান, গ্রামবাসির আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। তার সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে আমরা জেনেছি। বাবুলকে নিয়ে আতঙ্কিত গ্রামের লোকদের এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে। 
[সফিকুল ইসলাম শিল্পীরানীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও]

আপনার মতামত দিন