স্টাফ রিপোর্ট: গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার রাতে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মহিষমারা এলাকার রেলপথের ধার থেকে একটি আগর গাছ কেটেছিল চোরচক্র।
সে গাছের ভিতরে আগরের কোন অস্থিত্ব না পেয়ে চোর চক্র গাছের খন্ডাংশ ফেলে যায়।
এ ঘটনার ১০ দিনের মধ্যে আবারও (২৮ এপ্রিল) দিবাগত সোমবার ভোর রাতে চোরচক্র লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন বিশ্রামগারের সামনে থেকে আবারও একটি আগর গাছ কেটে চুরি করে নিয়ে যায়। তবে এবার গাছটি কেটে খন্ডাংশ করে পুরোটাই নিয়ে যায় চোরচক্র।লাউয়াছড়া বনবিট ও ফরেষ্ট ভিলেজার সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর রাতে চোরচক্র জাতীয় উদ্যানের ভিতর প্রবেশ করে বন বিশ্রামাগারের সামনে থেকে একটি আগর গাছ কেটে পুরোটাই নিয়ে গেছে।
লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জির সদস্য সাজু মারছিয়াং জানান, রোববার রাত ৯টায় বনবিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, খাসিয়া সদস্যদের বলেছিলেন গোপন সংবাদ রয়েছে রাতে আগর গাছ চোর হানা দিতে পারে। সেজন্য খাসিয়া সদস্যরা আগর বাগানে পাহারা জোরদার করেছিল। অন্যদিকে বন বিশ্রামাগার এলাকায় সিপিজি (কমিউনিটি পেট্রালিং গ্রুপ) ও বনকর্মীরা পাহারা দিচ্ছিলেন। এর মাঝেও লাউয়াছড়া উদ্যানের বন বিশ্রামাগারের সামনে থেকে চোরচক্র একটি আগর গাছ কেটে নিয়েছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া বনবিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বন বিশ্রামাগারের সামনে থেকে একটি আগর গাছ চুরির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন গাছটি ছোট আকৃতির ছিল। এ বিষয়টি বন বিভাগ তদন্ত করে দেখছে বলেও তিনি জানান। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজারের সহকারী বন সংরক্ষক আনিসুর রহমান আগর গাছ চুরির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন ১২৫০ হেক্টর উদ্যানের ভিতর স্বল্প জনবল দিয়ে ও ফরেষ্ট ভিলেজার মিলে গাছ চুরি অনেকটা রোধ করা হয়েছে।
তবে এত পাহারার মাঝেও কিভাবে আগর গাছটি চুরি হলো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।









