স্টাফ রিপোর্ট: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি গ্রামের দুটি হরিণ লোকালয়ে চলে আসে। স্থানীয় লোক হরিণ দুটিকে দেখলে ধরার জন্য হরিণ দুটির পেছনে তাড়া করে। লোকজনের তাড়া খেয়ে একটি হরিণ বনে পালিয়েও অপরটি অসুস্থ হয়ে মারা যায়।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামের মঙ্গলবার (২১ মে ২০১৯ইং) এই ঘটনাটি ঘঠে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে ওই ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামের লোকজন লোকালয়ে দুইটি চিত্রা হরিণ দেখতে পায়। এরপর তারা হরিণ দুইটিকে ধরার জন্য পেছনে ধাওয়া করে। একপর্যায় ধাওয়া খেয়ে একটি হরিণ পাশের নয়ারচর বনে পালিয়ে যায়। অপরটি অনেক ধস্তাধস্তি পর লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। পরে তারা রশি দিয়ে হরিণটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে উল্লাস করে।
বিষয়টি জানাজানি হলে সাকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে বন বিভাগের সদস্যরা এসে হরণটিকে উদ্ধার করে। পরে অবমুক্ত করার জন্য ট্রলার যোগে সোনারচর অভয়ারণ্যে নেওয়ার পথে হরিণটি মারা যায়।
বন বিভাগের সোনারচর ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা প্রণব কুমার মিত্র বলেন, ধাওয়ার কারণে হরিণটি হিট-স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে।
তিনি বলেন, হরিণ গুলো মানুষের কোনো ক্ষতি করেনি। তবুও কেন তারা এভাবে হরিণ দুটিকে তাড়া করলো? মানুষ এভাবে হরিণ দুটিকে তাড়া না করলে মারা যেত না। তাদেরকে বনে অবমুক্ত করা যেতো, বাঁচতো বন্য প্রাণীটি।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, ধারণা করা হচ্ছে-পানি বেড়ে যাওয়ায় স্রোতে ভেসে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে।
তিনি আরোও বলেন, আমরা মারা যাওয়া হরিণটিকে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে ময়না তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
