বিশ্ববার্তা ডেস্ক: প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কুলাউড়ায় হাজেরা বেগম (১৪) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে রুহুল আমিন (১৫) নামের এক বখাটে।
উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে মাদরাসায় যাওয়ার সময় ওই ঘটনা ঘটে। সোমবার (১ জুলাই) সকালে বখাটে রুহুল আমিনকে আটক করে মৌলভীবাজার আদালতে সোপর্দ করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ৩০ জুন সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টায় টিলাগাঁও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও সাইদুর রহমানের মেয়ে স্থানীয় চাউরউলি মাদরাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী হাজেরা বেগম মাদরাসায় যাওয়ার পথে একই গ্রামের আব্দুল মনাফের বখাটে পুত্র রুহুল আমিন (১৫) দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
আরোও পড়ুন: পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন
স্থানীয় লোকজন হাজেরা বেগমের আর্তচিৎকারে এগিয়ে এসে তাকে প্রথমে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। হাজেরা বেগমের অবস্থা শঙ্কটাপন্ন হওয়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল এবং পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
আহত হাজেরা বেগম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।স্থানীয় লোকজন জানান, বখাটে রুহুল আমিনের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজেরার উপর হামলা চালায়। অবশ্য পুলিশ বলছে, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নয় ছাগল নিয়ে উভয় পরিবারের বিরোধের জের ধরে এই হামলা চালিয়েছে রুহুল আমিন।
খবর পেয়ে ৩০ জুন রাতেই অভিযান চালিযে পুলিশ বখাটে রুহুল আমিনকে আটক করেছে। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়ারদৌস হাসান জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত মেয়ের বাবা।
আরোও পড়ুন: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার এক পরিবারের ৫ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন
ঘটনার সাথে জড়িত রুহুল আমিন স্বীকারোক্তিমূলক জাবানবন্দি দেয়ায় তাকে মৌলভীবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।









