বিশ্ববার্তা ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসার জন্য পাঁচটি শর্ত নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
অর্থাৎ ছাত্রলীগ সংগঠনের নেতা হতে হলে তাকে পাঁচটি শর্ত পূরণ করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তি এই পাঁচটি সত্যের কোন একটি শর্ত ভঙ্গ করে তাহলে তাকে কখনোই ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নেতৃত্ব প্রদান করা হবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রাতে (২৩মে) ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার কাছে এই পাঁচ দফা নির্দেশনা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং সংগঠনের সম্পাদক এনামুল হক শামীম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সময় বলেন, শুধুমাত্র বয়স কিংবা বিগত কমিটির অবস্থান বিবেচনা করেই দায়িত্বশীল পদে কাউকে নেতৃত্ব প্রদান করা হবে না।
এখন থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতে হলে এই পাঁচটি শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে।
ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে যে পাঁচটি শর্ত পূরণ করতে হবে তা হচ্ছে:
- ছাত্র রাজনীতির শুরু থেকেই ছাত্রলীগ করতে হবে। আগে অন্য কোন ছাত্র সংগঠন করত এখন ছাত্রলীগ করে এমন কাউকে শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য বিবেচনা করা হবে না।
- পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। ছাত্রলীগ নেতার বাবা, মা ,ভাই, বোন কি ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তা জানতে হবে। পরিবারের কেউ যদি জামাত-বিএনপি কিংবা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকলে ওই ছাত্রলীগ কর্মী নেতৃত্বে জন্য বিবেচিত হবে না।
- নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত হতে হলে ছাত্রলীগ কর্মীকে নিষ্কলুষ থাকতে হবে।তার বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের কোন মামলা কিংবা সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকা যাবে না।
- ছাত্রলীগ নেতা হতে হলে তাকে শুধুই ছাত্র হতে হবে। ছাত্র আবার ব্যবসা করে এমন ছাত্রলীগ কর্মী নেতা নির্বাচনের অযোগ্য বিবেচিত হবে। মেধাবী ছাত্ররা অগ্রাধিকার পাবে।
- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল এমন ছাত্রলীগকর্মী নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত হবে না।
আগামীতে যারাই ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিবেন তাদেরকে অবশ্যই এই পাঁচটি শর্ত পূরণ করে আসতে হবে তা না হলে ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের আসা যাবেনা।












