বিশ্ববার্তা ডেস্ক : স্কুল কিংবা কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা চাকুরিরত অবস্থায় প্রাইভেট টিউশনি করাতে পারবে না এমন নির্দেশনা আদালতের।
বর্তমানে দেখাযায় চাকরির সুবাদে মাসের শেষে যে টাকা তিনি বেতন পান তার তুলনায় অন্তত ৩ গুণ বেশি টাকা আয় হচ্ছে শুধুমাত্র প্রাইভেট টিউশনি করে।
গোটা দেশজুড়ে এই ব্যবসাটা চলছে ব্যাপকভাবে।শিক্ষকদেরে এমন ব্যবসায় এবার দাড়ি টানতে তৎপর হল মাদ্রাজ হাইকোর্ট।মঙ্গলবার একটি মামলার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু সরকারকে জানায়, শিক্ষকরা যেভাবে টিউশন করাতে আগ্রহী হচ্ছেন।এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।প্রয়োজনে এই অচলাবস্থা রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর এক প্রধান শিক্ষকে কেন্দ্রকরে।ওই শিক্ষকের নাম আর রেনগানাথনন।সরকারি নিয়ম মেনে ওই শিক্ষককে বদলি করে সরকার।যেখানে তাঁকে বদলি করা হয় তা তাঁর বর্তমান স্কুল থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে।তাতেই শিক্ষক বেজায় চটে ওঠে সরাসরি আদালতের কাছে আবেদন করেন।তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা দেশের ও জনগণের সেবক।সেই সব কথা বিবেচনা না করেই আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন তারা।
বিচারপতি বলেন, তামিলনাড়ু সরকারের স্কুল শিক্ষকদের আইন অনুসারে, তাঁরা চাকরি করার সময়ে অন্য কোনও ব্যবসায়ীক বা লাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। কিন্তু তা না হয়ে, সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেশীরভাগই প্রাইভেট টিউশনের সঙ্গে যুক্ত।
আরোও পড়ুন: এডভোকেট আবিদা হত্যার আসামী গ্রেফতার
সকল বিষয় বিবেচনা করে আদালত তমিলনাড়ু সরকারকে নির্দেধ দেয় যে যদি কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা প্রাইভেট টিউশনির সাথে জড়িত তাকেন কিংবা সরকারি কোন অধিকারিক যুক্ত থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনআনোগ পদক্ষেপ নিতে।












