লন্ডনে আবারো কজের সুযোগ বাংলাদেশী শ্রমিকদের

0
149
লন্ডনে কজের সুযোগ বাংলাদেশী শ্রমিকদের
লন্ডনে কজের সুযোগ বাংলাদেশী শ্রমিকদের

বিশ্ববার্তা ডেস্ক: বৃটিশ ইমিগ্রেশন নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসার কারণে বৃটিশ কারি ইন্ডাস্ট্রিতে আবারো কাজের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের।

গত ২০ বছর ধরে নানা রকম ক্যাম্পেইন পরিচালনার পর বৃটিশ ইমিগ্রেশন নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। লো স্কীল ওয়ার্কারদের কাজের সুযোগ দিতে মাইগ্রেশন এডভাইজারি কমিটি কারি ইন্ডাস্ট্রির অনুকূলে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। যার ফলে যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে বৃটেনে কাজের সুযোগ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এতে কর্মী সংকটে জর্জরিত বৃটিশ কারি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষ শেফ ও দক্ষ জনশক্তি আনার সুবিধা হয়েছে। এক্ষেত্রে আবারো কজের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের।

বৃটিশ ইমিগ্রেশন নীতিতে সমঅধিকারের দাবি নিয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছেন, তারা এটাকে নিজেদের প্রচারণার সাফল্য বলেই মনে করছেন। বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের প্রতিষ্ঠাতা এনাম আলী এমবিই সহ অনেকেই কারি ইন্ডাস্ট্রির প্রতিকুলে প্রণিত ইমিগ্রেশন আইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। বৃটিশ ইমিগ্রেশন নীতিতে পরিবর্তনের খবরে স্বভাবতই তারা এখন আনন্দিত।

তিনি  বলেন, বৃটিশ কারি ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে ২০১৬ সালে ১০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছিলাম।

যেখানে কারি সমস্যা সমাধানের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। বহুদিন পর আজ তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমাদের প্রস্তাবে টেকওয়ে সংযুক্ত রেস্টুরেন্ট সমূহে দক্ষ শেফ আনার সুযোগ সৃষ্টির দাবি ছিল।

আমার এই দাবি ডেলিগেশনের সামনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন যথার্থ বলে মেনে নেন এবং পরবর্তীতে অফিসিয়াল চিঠিতে টেকওয়ে রেস্ট্রিকশন সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করার পক্ষে অভিমত প্রদান করেন।

আরোও পড়ুন: লন্ডনে গণপরিবহনে চুমু না দেওয়ায় লাঞ্ছিত হলো দুই নারী

কারি শিল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নতুন ইমিগ্রেশন নীতির সুবিধা নিয়ে কারী ইন্ডাস্ট্রি আবারো প্রাণ চঞ্চল হবে, বিকশিত হবে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনমান। সাথে সৃষ্টি  হবে লন্ডনে আবারো রেষ্টুরেন্ট শ্রমিক আসার সুযোগ।

আপনার মতামত দিন