৭ বছরের প্রথম শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণ : মাদ্রাসার শিক্ষক গেপ্তার

0
160
bissobarta, বিশ্ব বার্তা
শিশু ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্ট: রোজা অবস্থায় প্রথম শ্রেণীর শিশু ধর্ষণ করলেন মাদ্রাসার শিক্ষক।বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের খাটিয়ান পাড়া নূরানী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে (৭) রোজা রাখা অবস্থায় ধর্ষণ করার অভিযোগ পেলে পুলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মুসাকে (৫০) গেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুুলিশ সোমবার (১৩মে) দুপুরে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মুসাকে গ্রেপ্তার করে উজিরপুর মডেল থানায় নিয়ে যায়।পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

সোমবার সকালে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন শিশুর বাবা।

শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মুসা উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মাদার্সী গ্রামের মৃত এসকেন্দার সরদারের ছেলে।

মামলার এজাহারে বারাত দিয়ে পুলিশ জানায়, উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের খাটিয়ান পাড়া নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মাদ্রাসার এই প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সহ অন্যান্য ছাত্রীদের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতেন। এভাবে তিনি প্রায়ই ভিন্ন কৌশলে মাদ্রাসার ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঐ শিশু শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে তাকে ডেকে একটি ফাকা কক্ষে নিয়ে যায় শিক্ষক জাহাঙ্গীর এবং পরবর্তীতে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণ করা পর আহত শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরে তার মা-বাবার কাছে বিষয়টি জানায়। তাৎক্ষণিক বাবা মিরাজ মিয়া বিষয়টি জানতে পেরে উজিরপুর মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি জাহাঙ্গির আলম মুসাকে গেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তার বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে এটি একটি ষড়যন্ত্র মামলা। তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

কিন্তু এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল বলেন, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত আসামি, শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মুসাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত দিন