বিশ্ববার্তা ডেস্ক: নতুন আবিষ্কার পাট পাতায় উৎপাদন হবে চা। ২০১৭ সালে প্রায় নতুন আবিষ্কৃত এই পাটের চা জার্মানীতে রপ্তানি করা হয়। সেদেশের আমদানিকারকদের কাছে জানা যায়, এবার শুধু জার্মানি নয় সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়ার বাজারেও পাওয়া যাবে নতুন উদ্ভাবিত এই পাটের চা।
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন আরো বেশি রপ্তানীর জন্য প্রায় ১৯ একর জমিতে মানিকগঞ্জের লেমুবাড়ি এলাকায় একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে। একটা সময় পাটের পাতাকে মানুষ অপছন্দ করতো পাটের পাতা শুধু শাক হিসেবে খাওয়া হতো।কিন্তু তা থেকে তৈরি হচ্ছে চা।যা রপ্তানি করে আয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাও।এই চা বাজারজাত করতে মানিকগঞ্জের লেমুবাড়িতে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প নিয়েছে সরকার। এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে চাষ করা হচ্ছে পাট। তারপর সেই পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে তৈরি হচ্ছে চা। সাথে মেশানো হচ্ছে জুঁইয়ের নির্যাস। দেশের বাজারে এই চা বাণিজ্যিকভাবে না মিললেও তা যাচ্ছে জার্মানিতে। সেখানকার একটি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ২টন চা আমদানি করেছে।সেই ধারাবাহিকতায় এবারও রপ্তানি হবে পাট চা।
প্রকল্পের উপদেষ্টা জানান, এই চায়ে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় নানাবিধ রোগের জন্য উপকারী। চা তৈরির প্রকল্পটি চলছে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের অধীনে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতে এই চা দেশেও বাজারজাতের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
বিজেএমসির কাছ থেকে জানা যায় আস্তে আস্তে এই পদক্ষেপটি আরো বড় আকার ধারন করবে । এক সময় এই পাটের চা আমাদের দশের উন্নয়নের ব্যাপক ভুমিকা পালন করবে
