বিশ্ববার্তা ডেস্ক: এক সময় ডিমকে মানুষ হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারন ভাবতো। তবে বর্তমানে এই ডিমকে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ধরা হয়।
ডেইলি মেইলের একটি গবেষণায় তারা বলেন, এই ডিম মানুষের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই গবেষকরা বলছেন আগের ডিম ও আজকালকার ডিমের গুণগত মান আর এক নেই।ত্রিশ বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে মুরগির ডিম কোলেস্টেরলের জন্য ক্ষতিকর নয়।
আমেরিকার ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা মুরগির ডিম খান তাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।গত বছর আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন যে ডিমের হলুদ অংশের গুরুত্বপূর্ণ ডিএমাইনো অ্যাসিডে ব্যাপক পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে।দুটি কাঁচা ডিমের হলুদ অংশের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ একটি আপেলের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমান। অবশ্য ডিম পোজ করা হলে বা সিদ্ধ করা হলে এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট অর্ধেক মাত্রায় কমে যায়।
বর্তমানের মুরগির ডিমে ভিটামিন ডি’র পরিমাণ অতীতের চেয়ে শতকরা ৭০ ভাগ বেশি। ডিমের কুসুম বা হলুদ অংশে রয়েছে ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।এক গবেষণায় দেখা গেছে যেসব মোটা মহিলা সকালে দুই বেলা ডিম দিয়ে নাস্তা করেছেন তারা মিষ্টি রুটিভোজী মোটা মহিলাদের তুলনায় দৈনিক কম ক্যালরি পেয়েছেন।গবেষকরা বলছেন প্রতিদিন যত ইচ্ছা ডিম খান তাতে কোনো অসুবিধা নেই। অবশ্য যারা বংশগতভাবে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরলের অধিকারি তাদের জন্য এ কথা প্রযোজ্য নয়।
অতীতে গবেষণায় বলা হয়েছিল যে ডিমের কুসুম খাওয়ার ফলে ক্যারোটিড বেড়ে যায়।কিন্তু এখন একদল গবেষক বলছেন, ৪০ বছর বয়সের পর এমনিতেই মানুষের শরীরে ক্যারোটিডের পরিমাণ বেড়ে যায়।তা ছাড়া শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারটিকে অতীতের গবেষণায় বিবেচনায় আনা হয়নি।
এ ছাড়াও ত্রিশ বছর আগের ডিমের তুলনায় আজকালকার মুরগির ডিমে চর্বির পরিমাণ শতকরা ২০ ভাগ কম।এ যুগের ডিমে ক্যালরির পরিমাণ শতকরা ১৩ ভাগ কম এবং কোলেস্টেরলও দশ শতাংশ কম।
সুতরাং ডিম আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী যা আমাদের খাদ্যের চাহিদা মেটায় এবং যাতে রয়েছে ভিটামিনের সঠিক উপাদান।












