বিশ্ববার্তা ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন জানান, রাজধানীর গাবতলী-আজিমপুর, কুড়িল-সায়েদাবাদ, ও সায়েন্সল্যাব-শাহবাগ রুটগুলোতে আগামী ৭ জুলাই থেকে সম্পূর্ণ ভাবে রিকশা চলাচল বন্ধ থাকবে।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, রাজধানীর নিউ মার্কেট থেকে ঢাকা কলেজের দিকে রিকশা চলাচলের জন্য আলাদা লাইন থাকলেও তা করা হয়নি নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের রাস্তায়। মূল সড়ক দিয়েই চলছে রিক্সা।
বুধবার নগর ভবনে মেয়রের সভাপতিত্বে ‘ঢাকা মহানগরীর অবৈধ যানবাহন দূর/বন্ধ, ফুটপাথ দখলমুক্ত ও অবৈধ পার্কিং বন্ধে গঠিত’ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন সাংবাদিকদের বলেন,প্রাথমিক পর্যায়ে কুড়িল থেকে বাড্ডা, রামপুরা, খিলগাঁও হয়ে সায়েদাবাদ, গাবতলী থেকে আসাদগেট, সায়েন্সল্যাব হয়ে আজিমপুর পর্যন্ত ও সায়েন্সল্যাব থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
রিকশা চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে নাগরিকদের যেন চলাচলে সমস্যা না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাত্রীদের যেন যানবাহন পেতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য পরিবহন মালিক সমিতি এবং বিআরটিসি পর্যাপ্ত বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া রাজধানীর মহানগরীর সড়কের দুপাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে বলেও জানান তিনি।
তিরি আর বলেন, এসব সড়কের পাশের যেসব ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হয়েছে, এসব ভবন চিহ্নিত করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেবে।
গত ১৯ জুন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বৈঠকে ‘ঢাকা মহানগরীর অবৈধ যানবাহন দূর/বন্ধ, ফুটপাথ দখলমুক্ত ও অবৈধ পার্কিং বন্ধে’ সাঈদ খোকনকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মফিজ উদ্দিন আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরোও পড়ুন: মাগুরায় এক কিশোরের গলা কেটে ইজিবাইক ছিনতাই
এই কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বুধবারের বৈঠকে মেয়র বলেন, সাতদিন পর কমিটি আবার বৈঠকে বসে এই কমিটি কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে।
এই কমিটির মূল দায়িত্ব পর্যায়ক্রমে ঢাকার মূল সড়কে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সেটা নিশ্চিত করা।
